আমেরিকা সমাচার

আমেরিকা সমাচার

03-12-25

আজ সকাল দুপুরে মাদ্রাসায় এসেছিলেন আমাদের বলাকইড় পশ্চিমপাড়ার কৃতি সন্তান আমেরিকা প্রবাসী মাদ্রাসার বিশিষ্ট হিতাকাঙ্ক্ষী জনাব রুহুল আমিন মোল্লা ( কাকা) সপরিবারে বড্ড আগ্রহ নিয়ে এলেন।

আমেরিকা বসে কাকি মাদ্রাসার অবস্থা দেখেন অনলাইনে। তাই ডিসেম্বরের ছুটিতে অফলাইনে মাদ্রাসা দেখতে কাকার সাথে আজ এলেন আপাদমস্তক আবৃত হয়ে।

আমি আর কাকা মাদ্রাসা অফিসে বসে বিভিন্ন আলাপ জুড়ে দিলাম।

কথা প্রসঙ্গে আমেরিকার কথা উঠল।

আমেরিকার পুলিশ ঘুস কি জিনিস জানে না।

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গেলে আগে চিকিৎসা দিবে তারপর জিজ্ঞেস করা হবে বাদবাকি।

একবার উনার সার্জারী হবে হার্টের, ইয়োলো হাসপাতালের হার্ট প্রধান উনাকে দেখতে এলেন যাওয়ার সময় নিজে উনার জুতা সোজা করে দিলেন। অবিশ্বাস্য!

মন্ত্রী এমপি ছাড়া কারো ড্রাইভার নাই প্রত্যেকেই যার যার গাড়ি নিজে ড্রাইভ করে।

স্কুল করার জন্য ভিন্ন জোন,ফ্যাক্টরি করার জন্য ভিন্ন জোন।ফার্ম করার ভিন্ন জোন।

প্রত্যেক এলাকার বিল্ডিং কোর্ড,বাড়ি নির্মাণের নিয়ম কানুন আছে।

উনি বললেন, ইউরোপ আমেরিকা কুরআন হাদিসের অনেক বিষয় ফলো করে যে জন্য তাদের দুনিয়াবি উন্নতি চোখে পড়ার মতো।

গল্পগুলো শুনে সত্যি সত্যিই অবাক হয়েছি আমেরিকা কত সুন্দর।

তবে সুন্দর ফুটফুটে তুলতুলে চকচকে আমেরিকার যে চেহারা এর বাইরে আমেরিকার আরেকটা চেহারা আছে যেটা হয়তো রুহুল আমিন কাকা দেখেননি এবং কোনদিনও দেখবেন না কিন্তু বিধ্বস্ত ইরাক, আফগানিস্তান ও ফিলিস্তিনের জনগণ সে চেহারা দেখে ফেলেছে।

ভিয়েতনাম দেখেছে, জাপান দেখেছে।

সে চেহারা গড়ার নয় ভাঙার।

উন্নয়নের নয় বরং ধ্বংসের।

নারী শিশু নিরস্ত্র মানুষদের কিভাবে হত্যা করতে হয় সেই বোধ আর বুদ্ধি আমেরিকার চেয়ে ভালো আর কার জানা আছে!

সে হিসেবে আমরা আমেরিকার সেই গুণটা গ্রহণ করতে পারি যেটা আমাদের থাকা খাওয়া চিকিৎসা ও শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর করবে,ভালো বানাবে।

অবশ্য এ সব তো প্রিয় নবীজীর সিরাত, সাহাবাদের জীবনীতে অহরহ রয়েছে।

জগতটাকে তো তাঁরাই সভ্য করে গিয়েছিলেন এখন কেউ যদি নিজ দোষে অসভ্য হয় সেই দায়ভার তো আর মহানবী সাঃ ও তাঁর আনিত ধর্মের উপর বর্তায় না।

লেখাশেষে বলতে মন চায়,আমেরিকা ইউজ করা যায় কিন্তু সঙ্গে নেওয়া যায় না।

আরও পড়ুন...

0 মন্তব্য রয়েছে

একটি মন্তব্য করুন

চিন্তা করবেন না! আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।

জনপ্রিয় ব্লগ

বিভাগ

সর্বশেষ ব্লগ