সৌদি আরবে ১৪ দিন
সৌদি আরবে ১৪ দিন
৪র্থ কিস্তি
ফজর হোটেলের মসজিদে জামাত দিয়ে আদায় করলাম।
আসলে গতকাল পাহাড়ে চড়ায় পা সাংঘাতিক ব্যাথা হয়ে গেছে। তাই ফজর মসজিদে হারামে পড়তে পারলাম না খুবই দুঃখজনক।
সকাল সকাল রেডি হয়ে চলে গেলাম হুদাইবিয়ায়।
শুরু করলাম হুদাইবিয়া থেকে। সারাজীবন পড়েছি আর আজ আল্লাহ পাকের খাস রহমতে যাচ্ছি পূণ্যভূমিতে।
বহুত দিনের লালিত স্বপ্ন।
ইমাম আরাফাত সাহেব,মাওলানা রেজাউল ভাই,মুজিবুর রহমান ভাই সবাইকে বলছিলাম মসজিদে আয়েশা যাব পরে ভাবলামি ইহরাম যেহেতু বাঁধব সুতরাং ঐতিহাসিক কোন জায়গায় যাই।
মিসফালায় গিয়ে ড্রাইভার পেলাম পাকিস্তানির মাধ্যমে পাকিস্তানি তবে ভদ্রলোককে মক্কায় নতুন মনে হল।
যে জন্য ভিসা পাসপোর্টের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি নিয়ম করল,সাথে থাকতেই হবে।
দুইজন ছাড়া সবার থাকলেও হোয়াটসঅ্যাপে বাকীদেরটাও আনতে হল।
সঙ্গীদের মধ্যে কারী আরাফাত সাহেব বেশ উত্তেজিত হলেন,কয়েক জায়গায় অভিযোগ ও করলেন। কিন্তু ধৈর্য্য আর হাসিমুখ ছাড়া আমার কাছে আর কোন উপহার তখন ছিল না। দোষ তো আমার যদি সঠিক কথা বলতাম তাহলে এমন বিরূপ প্রতিক্রিয়া হত না
সকাল ৬ টায় বের হয়েছি আবহাওয়া খুব সুন্দর সকালের। রাস্তার পাশে
للمسلمين فقط
লেখা তারমানে হুদুদে হারামে অমুসলিমদের প্রবেশ নিষেধ। পৃথিবীর একমাত্র স্থান যেখানে আল্লাহর হুকুম মানতেই হবে।এটা আল্লাহর দেওয়া আইন না মেনে উপায় নেই। আহ! পৃথিবীর সবখানে যদি আল্লাহর আইন চলত মানুষ কতইনা সুখী হত!
অবশ্য আমার প্রশ্ন এতে লাভ কি?
উচিত ছিল ওদের কালচার মুসলমানদের জীবনে যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা।
অথচ আমরা এখন যে সৌদিতে দাড়িয়ে সেই সৌদিতে কোটি কোটি ডলার দিয়ে খৃষ্টান হিন্দু ইহুদিদের ভাড়া করে নাচগান করানো হচ্ছে, ফুটবলের রং তামাশার আয়োজন হচ্ছে। বাহ্যিকভাবে আজকের সৌদি অনেক উন্নত অবশ্য এর পিছনে প্রবাসীদের অনেক অবদান রয়েছে বিশেষ করে বাংলাদেশী ভাই বোনদের।
দেশকে ভালো রাখতে ওরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে।আল্লাহ পাক সবাইকে ভালো রাখুন।
নবীজী সাঃ হুদায়বিয়ার যেখানে অবস্থান করেছেন, নামাজ পড়েছেন সেখানে এখন সাদামাটা মসজিদ নির্মিত।
আমি যেখানে বসে আছি তার ডানদিকে প্রাচীন প্রাচীরের কিছু ভগ্নাংশ রয়েছে যার বাহিরের দিকে আধুনিক দেয়ালে গেট আছে তালা মারা।
বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী নিশ্চিত হলাম,এখানেই সংগঠিত হয়েছিল ঐতিহাসিক বাইতুর রিযওয়ান।
আমি, ইসমাইল মামা, মুজিবুর রহমান ভাই, নুসরাতের আব্বু মাওলানা রেজাউল সাহেব ও কারী ইয়াসিন সাহেব এসেছি এখানে সকালটা আসলেও দারুণ মাশাআল্লাহ।
অযু করে ওমরাহর নিয়ত করলাম। এবারের ওমরাহটা আমার
মাদ্রাসার সম্মানিত সভাপতি জনাব আব্দুল মান্নান শিকদার সাহেবের মরহুমা স্ত্রী ও ডাঃ মিনারা শিকদারের আম্মুর নামে করছি মসজিদ মাদ্রাসা ও দাতব্য কাজে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য।
মসজিদের পূব দিকের দেয়ালে একটা ফেস্টুনে মুসলিম শরীফের একটা হাদিস লেখা, একজন মুসলিম যদি জানত,আল্লাহ পাকের রাগের পরিমাণ তাহলে সে কখনোই জান্নাতের আশা করত না। আর একজন মুশরিক যদি জানত,আল্লাহ পাক কত দয়ালু তাহলে সে কখনো জান্নাত থেকে নিরাশ হত না।" এই শেষ কথাটা খুব ভালো লেগেছে।
আর পাপের পাহাড় মাথায় নিয়েও দিব্যি আরামে আছি "
মসজিদে হুদাইবিয়ায় মালয়েশিয়ার লোকজন বেশি আসেন।এক মুআল্লিমের সাথে কথা হল বেশ দায়িত্বশীল। মসজিদের পরিচ্ছন্নতাকর্মী কক্সবাজারের। বাহিরে যে কয়েকটা দোকান আছে সেখানে কিশোরগঞ্জ ও চাঁদপুরের ভাইদের দেখলাম।
দূর পরবাসে দেশী ভাই পরম আনন্দের জিনিস।
ফিরে যাচ্ছি হেরেম শরীফের দিকে,রাস্তার দুপাশে প্রাচীন আরবের প্রতিচ্ছবি।
ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে ঘুরতে ঘুরতে নবীজীর যুগে ফিরে গেলাম, আহা কি আনন্দ।
ইতিহাসের চশমা খুলতে না খুলতেই গাড়ি মিসফালায় হাজির।
পাহাড়ে আরোহন, লাগাতার তাওয়াফ ও সাঈ করায় পা দুটো আর চলতে চায় না।
মক্কা শরীফ দিন দিন বানিজ্যিক স্পেস হয়ে যাচ্ছে চারিদিকের উন্নয়ন অগ্রগতি তারই জানান দিচ্ছে সোৎসাহে।
আগেকার হাজী সাহেবদের মুখ থেকে শোনা গল্প আর আজকের চোখে দেখা মক্কার নূন্যতম মিল খু্ঁজে পাই না।
উন্নত
বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে খোদা ভীতির হযবরল অবস্থা। মানবিকতা, নবীজীর আদর্শ, সাদাসিধে জীবনের প্রতি
ইসলামের যে অতুলনীয় সৌন্দর্য তাই এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বিশ্বের সামনে উপস্থাপন সমান গুরুত্বের দাবীদার যদি মুসলমানরা ফুটিয়ে তুলতে পারে।
কিন্তু আমরাএখন ইহুদি খৃষ্টানদের কালচার ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত,ওদের ভাষায় কথা বলা স্মার্টনেস,ওদের তরিকায় চলা মানে আধুনিকতা, ওদের করা হালাল মানেই হালাল যদিও ইসলামে তা হারাম আর ইসলামের হারাম হালাল যদি ইহুদি খৃষ্টানরা বলে।।
হোটেল থেকে আবু বকর চাচাকে নিয়ে হেরেমে এলাম। প্রচন্ড রোদে বাহিরে লোকজনের আনাগোনা একটু কম।
বিভিন্ন কোম্পানির পক্ষ থেকে আন্তরিকতার সাথে পানি বিতরণ হচ্ছে একদম বরফ শীতল তবে প্রচন্ড রৌদ্রে এমন পানি গলার জন্য খুব সমস্যার কারণ এখন আমি সেই রোগে ভুগছি।
তাওয়াফ করে সাঈ শুরু করলাম ১১:২১ মিনিটে শেষ হল ১২ঃ০৫ মিনিটে।
পায়ের মুখ থাকলে বলত,আমি আর পারব না তুমি যেভাবে পারো যাও।
বাহিরে প্রচন্ড রোদ মারওয়ার ৩য় ফ্লোর থেকে ১ম ফ্লোরে এলাম। পাহাড়ের যে নিশানা আছে তার বাম পাশে জায়গা নিয়ে বসে পড়লাম।
এখানে আযানের ১০ মিনিট পর জামাত। সে হিসেবে জোহর ১২ঃ ৩০মিনিটে
সব দেশের মানুষের সাথে মতবিনিময় করতে চাই কিন্তু ভাষার দেয়াল মেক্সিকো ওয়ালের চেয়ে কোন অংশে নিচু না।
অবশ্য মুখের হাসি বলে দেয় সব মুসলমান একে অপরকে ভালোবাসে একমাত্র ফিলিস্তিনকে ছাড়া।
বিশ্বের প্রায় দুইশো কোটি মুসলমানদের সামনে একটা জনপদ বিলিন হয়ে গেল। অথচ ধন সম্পদ অস্ত্রেশস্ত্রে কিসের কমতি ছিল মুসলিম বিশ্বের?
হ্যাঁ আছে বিরাট অভাব, নাম তার সাহস যা ছিল মুসলমানদের সম্মান লাভের সর্বোচ্চ সুন্দর উপায়।
প্রত্যেকের নামাজের সময় পাশের জনকে জিজ্ঞেস করি বাড়ি কোথায়? এই যোহরেও ডান পাশের জনকে জিজ্ঞেস করলাম বাড়ি কই?হাসিখুশি উত্তর পাকিস্তান আর বাম পাশের শশ্রম্নমন্ডিত বয়ষ্ক নূরানী চেহারার চাচাকে জিজ্ঞেস করতেই বললেন আফগানিস্তান।মাশাআল্লাহ
চেহারা পুড়ে যাচ্ছে রোদের প্রখরতায়।
মনে হল,জীবনে এত প্রখর রোদের সম্মুখীন হইনি।
এই প্রথম জাবালে আবু কুবাইস ( বর্তমান বাদশাহর বাড়ি) এর কাছে এসে শীতলতা অনুভব করলাম।
আবু বকর চাচা শক্ত মানুষ এই বৃদ্ধ বয়সেও তাঁর মনোবল ও পরিশ্রম দেখে খুশি হলাম।
মজা করে উনাকে বললাম, আবু জেহেলের বাড়ির কারণে বোধহয় রোদের তাপ বেশী।
হাত ধরে একসাথে হাঁটছিলাম হঠাৎ তিনি পিছিয়ে পড়লেন। চেয়ে দেখি উনার বাম পাশে এক বয়ষ্ক যুবক।
আমাদের জিজ্ঞেস করলেন বাড়ি কই?
বাংলাদেশ, গোপালগঞ্জ।
ও বউমার দেশের? ব্যাটা হাজী সাহেবের অবাক জিজ্ঞাসা। আমি প্রথমে ব্যাপারটা
বুঝলাম না। এবার সে নিজেই বলল,শেখ হাসিনা!
আমরা হেসে দিলাম।
ভদ্রলোকের বাড়ি পশ্চিমবঙের হাকিমপুর বর্ডার মানে সাতক্ষীরার ওপাশটায়।প্রতিবেশী হিসেবে এবার কথা শুরু বাংলায়।
একসাথে হাঁটছি ৩ জন।
সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে কথা চলতে থাকল।
আগ বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম, মমতার শাসন কেমন?
বলল,মুনাফিক,আরএসএসের সন্তান।
মমতা সম্পর্কে এমন তথ্য জেনে অবাক হলাম।
মোদীর শাসন?
কষ্টের কিন্তু কি আর করা আমাদের মহানবী (সাঃ) এর জীবন তো কষ্টের ছিল সুতরাং মুসলমানদের কষ্ট করেই বাঁচতে হবে। আসল শান্তি পরকালে। জান্নাত আমাদের ঠিকানা।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ভদ্রলোক ভালোই খবর রাখেন।
শেখ হাসিনার উপর বেজায় রুষ্ট।
কারণ জিজ্ঞেস করতেই বলল,কাজ যা করেছে তারচেয়ে বেশী দুর্নাম কুড়িয়েছে আলেম উলামাদের উপর জুলুম করে।
সাঈদি সাহেবের মতো মানুষকে হত্যা করেছে।
বললাম, সাঈদীকে কিভাবে চিনেন?
বলল,তার মতো ব্যক্তিকে চিনব না?
আচ্ছা, পাকিস্তান নিয়ে মতামত কি?এই সেদিনও একটা যুদ্ধ হল!
সোজাসাপ্টা উত্তর, ওরা আমাদের মত মুসলমান।
আমরা ভাই ভাই তবে ওরাও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার।
ওদের সাথে আমাদের যুদ্ধ বাঁধলে কষ্ট লাগে,নিরীহ মুসলমান মা'র খায়,ঘরবাড়ি নষ্ট হয়।
একজন
মুসলিম হিসেবে বিষয়গুলো দারুণ পীড়া দেয়। কিন্তু ভারতীয় হওয়ার কারণে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারি না তবে মনে মনে ঘৃণা করি।
এ সময় আমাদের উপর জঙ্গি, বেঈমান ট্যাগ দেয় কিন্তু আমরা কখনোই হিন্দুস্থান ছাড়ব না,এখানে জন্ম এখানেই বেড়ে উঠা এবং এখানে ই মৃত্যু হবে ইনশাআল্লাহ।
ভদ্রলোক শেষে বললেন, আমি একটা পঞ্চায়েত প্রধান। চেষ্টা করি ভালোভাবে চলার।
হাঁটতে হাঁটতে আমরা হোটেলের কাছে চলে এলাম আর ভদ্রলোক রাস্তা পার হয়ে নিজ হোটেলের পথ ধরলেন।
আজ আরো একটি ওমরাহ করতে হবে, সময় ফুরিয়ে আসছে। দুপুরে খেয়েদেয়ে সামান্য বিশ্রাম করে তৈরী হয়ে নিলাম। সঙ্গে আছেন বড় বোন যুগের রাবেয়া বসরী হাফেজা মারইয়াম, মুজিবুর রহমান ভাই ও তাঁর স্ত্রী, রেজাউল ভাই ও নুসরাতের আম্মু।
দুপুর ৩ঃ২৭
মসজিদে আয়েশার পথে রওনা করলাম ,বড় একটা গাড়িতে উঠলাম।
ভিতরে পাকিস্তানের যাত্রী আছেন।
শরীরে জ্বর জ্বর ভাব আছে,আসর পড়ে ইহরাম বাঁধলাম।
এবারের ওমরাহটা সম্পন্ন করব স্নেহের ফারাজের নানার পক্ষ থেকে।
কিছুদিন আগে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। কুরআনের হাফেজ ছিলেন। সারাক্ষণ চুপচাপ থাকা পছন্দ করতেন।
হেরেম শরীফে এসে মাগরিবের আগেই তাওয়াফ সাঈ শেষ করলাম। দিন বড় হওয়ায় অনেক আমল করা যায়।
তাওয়াফের মাঝে ভাই বোনের কথা চলতে লাগল।
ধর্মীয় পারিবারিক ও আমলি ইস্যুতে অনেক কথা হল।
মক্কা শরীফে এসে এবার যমযম দুই তিন গ্লাস করে পান করেছি কিন্তু বড় বোন হাফেজ্জী হুজুর রহঃ ও আদিব সাহেবের মধ্যকার এ সংক্রান্ত সংলাপ শুনালে পানের মাত্রা বাড়িয়ে দিলাম।
তারপর থেকে প্রতিবার ১০ বারো গ্লাস পান করতাম। আমার এই বোন
কুরআন সঙ্গে নিয়েই বড় হয়েছেন, ২৪ ঘন্টার জীবন তিনি কুরআনের মাঝেই আটকে রাখতে পারঙ্গম।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস আল্লাহ পাকের সাথে তাঁর আত্মিক সম্পর্কে বহু বছরের।
পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কঠিন থেকে কঠিনতর বিপদের সমাধান তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে পেয়ে থাকেন।
মানুষের হিংসা ও অনিষ্টার অনলে পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়েছেন কিন্তু নিঃশেষ হননি আল্লাহর সাহায্যে দুর্বার গতিতে ঘুরে দাড়িয়েছেন।
কোন সন্তানের বেলায় কিভাবে সাহায্য পেয়েছেন বললেন আর আমি অবাক হয়ে শুনলাম।
তাঁর ঈমানী আবেগ জযবা ও সাহসীকতায় মুগ্ধ হলাম,অনুপ্রেরণা পেলাম। এমন বোনের ভাই হওয়াটাও চান কপালের।
কথায় কথায় আমাদের বহুদিনের লালিত আকাঙ্খা আর স্বপ্ন প্রকাশ পেল। এই পবিত্র ভূমিতে মা বাবা ভাই বোন ছেলে মেয়েদের সহ একসাথে আসতে পারলে কতইনা আনন্দের হত ।
অবশ্য মহান আল্লাহ পাক তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু মেহেরবান।
ওমরাহর আমল শেষ হল। হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে। জরুরত থাকায় হাঁটতে হাঁটতে হোটেলমুখী হলাম।
হোটেলের মসজিদে মাগরিব পড়লাম।
সামান্য নাস্তা সেরে আবার মসজিদে হারামে ফিরে এলাম। এশার জামাতে শরীক হলাম।
এশার পর দাদা দাদুর পক্ষ থেকে তাওয়াফ করলাম। আব্বা বলেন,আমরা নাকি দাদা দাদুর দোআর ফসল।
আমাদের জন্মেরও বহু আগে তাঁরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেছেন।কিন্তু সম্পদ হিসেবে আমাদের জন্য অফুরন্ত দোআ রেখে গেছেন।

0 মন্তব্য রয়েছে